Monday, February 14, 2022

শিকড়ের খোঁজে...

  

 


এমন সব বিশাল ব্যক্তিত্বদের গল্প শুনে বড় হয়েছি যে তাদের সম্পর্কে লেখা দূরে থাক, তারা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে তা বলাও ধৃষ্টতা|  কিন্তু আজ মধ্য বয়সে এসে আবার মনে হয়, if not now then when? If not me then who? যদি না লিখে ফেলি তবে আমি যেটুকু জানি সেটা তো আমার সঙ্গে শেষ হয়ে যাবে| তাই চেষ্টা করবো যেটুকু জানি বা খুঁজে বের করতে পারবো তা লিখে রাখি| তথ্য সংগৃহীত রইল, যোগ্য কেউ পেলে হয়তো ব্যবহার করতে পারবে|


আমার ভিত যার গল্প শুনে তৈরি তাকে আমি চোখে দেখিনি| তিনি আমার প্রপিতামহী সরলাবালা ঘোষ (nee. দত্ত)| জ্ন্ম যানিনা, তবে মৃত্যু 1971 এ|  সরলাবালা দেবীর কথা শুরু করতে হবে একটা মেডেলের গল্পের দিয়ে| অঙ্কে অসাধারণ মেধার জন্য 1900 সালে নড়াইল জেলার (এখনকার বাংলাদেশ) বৃত্তি পেয়েছিলেন সরলাবালা| মনে হয় প্রথম প্রজন্মের মেয়েদের মধ্যে ছিলেন যারা প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শুরু করেন| ওই মেডেলের চাপ ছেলেবেলা থেকে অনুভব করেছি| ৪ প্রজন্ম পরে সব সুযোগ সুবিধা পাবার পরেও কিছু করতে পারলাম না| how do you live up to such legend?

 


 

খুব বেশি তথ্য সংগ্রহ করতে পারিনি তার বিষয়ে| পিতৃতান্ত্রিক সামন্ততান্ত্রিক সমাজ মেয়েদের কথা খুব মনে রাখতে চায় না, সে মেয়েটি যত অসাধারণ হোক না কেন| তার উপর আমার প্রপিতামহ হীরালাল ঘোষ নিজেও অসাধারন ছিলেন| আর বাবা তার আদরের নাতি, তাই তার কথাই বাবার বেশি মনে পরে|


তবে তার ঠাকুমার অঙ্কের মেধার কথা, বাবা বারবার বলেন| কতদিনই বা বিদ্যালয়ে  গেছেন ? 10-12 বছর বয়সে বিয়ে হয়ে গেছিল নিশ্চয়| কিন্তু বাবা বলেন মাট্রিক অবধি কোনো অঙ্ক আটকালে ঠাকুমার কাছেই যেতেন, আর কোনো অঙ্ক ঠাকুমার আটকেছে বলে বাবার মনে নেই| 


সরলাবালা দেবীর বাবার বাড়ী ছিলো নরাইলে| সে নাকি বিশাল এস্টেট| হীরালাল আর সরলাবালার  বিয়ের ব্যাপারটা খুব রোমান্টিক| হীরালাল ঘোষ  তার এক বন্ধুর জন্য়, মেয়ে দেখতে গিয়েছিলেন| মুশকিল হলো, হীরালাল ঘোষ  ছিলেন অসাধারন সুপুরূষ, ৬ ফুটের উপর লম্বা, তীক্ষ, বুদ্ধিদীপ্ত চেহারা, চোখে মুখে আত্মবিশ্বাস, সরলাবালার বাড়ির লোকে তাঁর বন্ধুর জায়গায় তাঁকেই পছন্দ করে ফেলে। আশা করি এতে বন্ধুত্বে তিক্ততা তৈরী হয়নি। রোমান্টিক বললাম বটে, কিন্তু এই বিয়ের সিদ্ধান্তে সরলাবালার কোনো মতামত নিশ্চই কেউ নেয়নি , তবু বেশ অপুর সংসারের মতো লাগে শুনতে এই গল্পটা।


বাবার কাছে গল্প শুনেছি একবার তিনি ঠাকুরমার সঙ্গে নড়াইলে যাচ্ছিলেন, স্টিমারে চড়ে । সেই স্টিমার গেল আটকে নদীর চরে দুই দিনের জন্য। গল্পটা  শুনে আমি তো আঁতকে উঠলাম। ২ দিন! সবাই খুব ভয়ে পেয়েছিলো নিশ্চই? বাবা বললেন মনে হয়ে না, তবে বড়ো স্টিমার ছিল, উনোন জ্বালিয়ে রোজ খুব ভালো রান্না হতো, সন্ধে বেলায় খুব সুন্দর হাওয়া দিতো।  তারপর লোকে এসে চড়ার মাটি কাটলো আর স্টিমার চললো। ভাবলাম আজ ১০ মিনিট দেরি হলেই ফোন, ভিডিও কল, মেসেজ করে অস্থির হয়ে পড়ি আমরা, আগে মানুষের ধৈর্য অনেক বেশি ছিল।


সরলাবালার ৪ ভাই আর অন্তত এক বোন ছিল। বাবার ২ মামাদাদুর কথা মনে আছে। এক ছিলেন বাঘমামা। তার ভারিক্কি চেহারা আর বাংলার বাঘ আশুতোষ মুখার্জীর মতো গোঁফ ছিল। কিন্তু তার বাঘমামা নাম হয়েছিল অন্য কারণে। দুপুরে ভাত খেয়ে যখন ঘুমোতেন তখন নাক দিয়ে যে আওয়াজটি বের হতো, তা শুনলে বাঘেরা তাকে মামা বলে গ্রহণ করবে বলে বাবার বিশ্বাস ছিল। সেজোমামাদাদু ছিলেন কালী ভক্ত । বিয়ে করেননি, পুজোআচ্ছা আর রাইফেল চর্চা নিয়ে থাকতেন। একবার বাড়ির সামনে এক বিশাল কেউটে সাপ বেরোয় । বাবার সেজোমামাদাদু সেই ফনা তোলা সাপকে ১০০ ফুট দূর থেকে গুলি করে মেরেছিলেন। গল্প বলে অবিশ্বাস করতে মন হয়, কিন্তু আমার বাবা এই ঘটনার চক্ষুসাক্ষী ।


সরলাবালা দেবী আর হীরালালের সংসারের গল্পে ফিরে আসি। একটাই ছবি দেখেছি সরলাবালা দেবীর। শীতকাল, চেয়ারে বসে আছেন, সাদা রঙের শাল গায়ে, একটা বই পড়ছেন, বোধহয় মহাভারত। মুখে একটা স্নিগ্ধ শান্ত ভাব। সারাদিন বই নিয়ে থাকতেন, বাড়িতে কি হচ্ছে, কার কি আছে, কি নেই, তা নিয়ে কোনো কৌতহল ছিল না।

হীরালালের বড়দিদি ছিলেন বাল্যবিধবা। ৮ বছরে বিয়ে, ১০ বছরে বিধবা হওয়া একটা বাচ্চা মেয়ের উপর কি অত্যাচার হতো, ভাবলে গা শিঊরে ওঠে। হীরালাল আন্দাজ করেছিলেন, নিজের বাড়ি হবার সাথে সাথে দিদিকে শশুরবাড়ি থেকে নিয়ে এসেছিলেন। ঠিক করে দিয়েছিলেন যে দিদিই তাঁর বাড়ির হর্তাকর্তা হবেন। কেউ যেন তাকে আশ্রিতা বলে অসম্মান না করে তাই বোধহয় এই ব্যবস্থা ছিল। এই সিদ্ধান্ত হীরালাল বিয়ের আগে না পরে নিয়েছিলেন তা জানিনা। তবে জানি সরলাবালার এই ব্যবস্থায় কোনো আপত্তি ছিল না। তিনি সারাদিন সংসারের কোনো ঝামেলায় না পরে, বই পড়তে পেয়ে মহা খুশি ছিলেন। হীরালাল ঘোষের দিদি মারা যাবার পরে সংসারের দায়িত্ত্ব চলে যে পরের প্রজন্মের মেয়ে বউদের হাতে।


আমার থামাম, মানে ঠাকুরমা গল্প করতেন, যে দিনে একবার সরালাবালা রান্নাঘরে গিয়ে দেখে আসতেন কিছু কম পড়েছে কিনা, যদি কম পড়তো তাহলে বাইরে এসে ঘোষণা করতেন আজ শরীরটা ভালো লাগছে না, আজ আমি উপোস করবো ভাবছি।


আমার মা এই গল্প গুলি শুনে বলেন, কি আশ্চর্য লোক। এই ভাবে সংসারের সব অধিকার ছেড়ে দেবার সংযম অসাধারণ! আবার আমার দিদি বলেন ওনার একেবারে উৎসাহ ছিলনা হয়তো, তাই অন্য কেউ দায়িত্ব নেওয়াতে খুশিই হয়েছিলেন।


কে ঠিক তা জানিনা। তবে বলতে পারি যে ১০০ বছর পরে, আমার প্রজন্মের অনেক প্রগতিশীল, কর্মজীবনে সফল মেয়েদের কাছ থেকে দেখেছি।সংসার, রান্নাঘরের দায়িত্ব , এবং তার সঙ্গে ওতপ্রোত হয়ে জড়িয়ে থাকা প্রভাব/কর্তৃত্ব ছাড়াটা খুব কঠিন| অথছ আমার প্রজন্মের কাছে তো রান্নাঘরে নিজেকে না বেঁধে ফেলে কর্মজীবনে মনোযোগ দেওয়াটাই আদর্শ!  কিন্তু কই? সবাই তো পারে না। সরলাবালা সহজেই পেরেছিলেন। মায়া, মমতা ছিল অনেক, কিন্তু নির্লিপ্ত সেই ভালোবাসা। এই স্বভাব আমার দাদুরও ছিল। আমাদের সবার অত্যাচার মিষ্টি হেসে সহ্য করতেন, কিন্তু গায়ে পরে ছোটদের আদর করতে বা জোর করে এটা ওটা করো বলতে  কখনো দেখিনি। ছোটরা নিজে নিজেই ওনার আশেপাড়ে জোগাড় হতো, নিজের মনে খেলতো। খুব নিরাপদ শান্ত আশ্রয় ছিল আমার দাদুর ঘরটি।


বাবার কাছে শুনেছি হীরালাল ঘোষের খুলনার এষ্টেট নড়াইলের থেকে ছোট হলেও বিশাল ছিল। বিশাল বাড়ি, পুকুর, বাগান। শুনেছি গরমকালে আম বাগান থেকে কাঁচা থাকতে আম কেটে রান্নাঘরে পাকানো হতো। গাছে আম পাকলে সেই গাছে পোকা ধরে যেত, এত মিষ্টি আম ছিল। লেবু গাছে এত লেবু হতো যে গ্রামের সবাইকে বলা ছিল, যেন লেবু ঘোষ বাড়ি থেকে নিয়ে ঘরে যায় । শীতকালে আমার বাবা শখ করে ফুলের গাছ লাগাতেন, সরলাবালা নিজে হাতে তাতে গোবর সার  দিতেন। আমার গাছগাছালি, মাটি নিয়ে খেলার শখটা, বাবা ও তাঁরও ঠাকুমার থেকে চলে আসছে হয়তো।


বাগানের কাছে একটা ছোট ঘর ছিল, তাতে ঘুঁটে জমিয়ে রাখা হতো। পাশের বাড়ি ছিল রাব্বানী সাহেবের (পরে নাকি তিনি বাংলাদেশের মন্ত্রী হয়েছিলেন)। তা তাঁর বাড়ির মুরগি এসে ডিম পারলো ওই ঘুঁটের ঘরে, কিছু দিন পরে মুরগির ছানারা বাগানে বেড়াতে বেরোল। বাড়িতে খুব হইচই লেগে যায়, হিন্দু কুলীন ঘরে মুরগির প্রবেশ তখন নিষেধ। সবাই মারতে গেলে সরলাবালা দেবী মানা করে দেন। নাকি বলেছিলেন, সব ভগবানের দেন, অমন বাছাবাছি করতে নেই। এই গল্পটি শুনে মনে হয়ে যে প্রভাব ছিল সরালাবালার, ৭০-৮০ বছর আগে নিয়ম ভাঙাটা নিশ্চই সহজ ছিলোনা।  হয়ত আটপৌড়ে অধিকার ছাড়ার ক্ষমতা মানুষ কে একটা আলাদা জায়গা দেয়, যাকে উপেক্ষা করাটা অসম্ভব। হয়তো বা যাদের ওই ব্যক্তিত্ব থাকে তারাই ছাড়তে পারে সব কিছু, সহজে। তাদের কাছে পরিষ্কার রোজকার ছোট ছোট দাবি দেওয়ার নিরর্থকতা। 


বহু বছর পরে আমার বাবা কলকাতায় শখের পোল্ট্রি বানিয়েছিলেন। শুনেছি মোরগ মুরগিদের অতি প্রিয় ছিলেন সরলাবালা দেবী। ওনাকে দেখলেই তড়িঘড়ি ঝাঁপিয়ে পড়তো সব, আর আমার প্রপিতামহীও হাসি মুখে ওই অত্যাচার সহ্য করতেন। নিজের হাতে তাদের খাওয়াতেন তাদের।


কলকাতার বাড়ির কথা বলতে মনে হলো আরেকটা কথা। কলকাতার বীরপাড়া বাড়িতে আমিও বড়ো হয়েছি। আমি যখন ছোট, ওই বাড়িতে শুধু আমার বাবা, মা, দিদি, কুকুর, বিড়াল, জঙ্গল ছিল।আমার জন্য বাড়িটা বিশাল ছিল। ভাঙাচোরা উপরের  তলায় আমার লাইব্রেরিতে আমার আর পমির (আমাদের আলসেটিয়ান ) শীতকালের দুপুর কাটানোর মতো ভালো অভিগ্যতা আমার কমই হয়েছে। কিন্তু সরলাবালা দেবীর সময় ওই বাড়িতেই ৪০-৫০ জন থাকতো। একটা রান্নাঘর, একটা বাথরুম! সারা জীবন যিনি নড়াইল আর খুলনার বিশাল এস্টেটে কাটিয়েছেন, তাঁকে দেশভাগের পর, ৬ ছেলে, ২ মেয়ে, নাতিনাতনি নিয়ে চলে আসতে হয়ে কলকাতার ছোট্ট বাড়িতে। ওই সময় ওই এলাকায় একটিই পাকা বাড়ি ছিল, কিন্তু সরালাবালার জন্য ওই বাড়ি নিশ্চই ছিল খাঁচার মতো ছোট। আর ঘোষ বাড়ির সমৃদ্ধির সময় তখন শেষ।  হীরালাল ঘোষের প্রতিপত্তি ছিল খুলনাতে। এখানে এসে তিনি ওকালতি করেননি। স্থাবর সম্পত্তি থেকে আয়ও বন্ধ। সচ্ছলতার অভাব ছিল তাতে কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু সরলাবালা নিজের পরিস্থিতি নিয়ে হায়হায় করার লোক ছিলেননা। ওই বাড়ির চারিদিকে ছিল বস্তি। ছোট ছোট অস্থাবর ঘরে থাকতেন অনেক উদ্বাস্তু পরিবার। সারা দুপুর সরলাবালা একে একে সব বাড়িতে যেতেন, সুখ দুঃখের কথা শুনতেন, নিজের সীমিত ক্ষমতা অনুযায়ী সাহায্য করতেন। জীবনের শেষ বছরটা বিছানা অথর্ব হয়ে পড়েছিলেন। তাও শুনেছি হাসি মুখে কাটিয়েছেন।


অনেক কিছুই জানিনা ওনার বিষয়ে। যেমন ধরো বই পড়তে এত ভালোবাসতেন, কিন্তু বই বলতে তো শুধু মহাভারত আর রামায়ণ ছিল, তা শেষ করতে নিশ্চই এক বছরের বেশি লাগেনি। তার আগে কি পড়তেন? 

শুনেছি স্বাধীনতার পরে খবরের কাগজ পড়তেন রোজ, কিন্তু রাজনৈতিক কোনো মতামত ছিল কিনা বাবা মনে করতে পারলেন না। দেশভাগের দুঃখও কোনো দিন বাবার কাছে প্রকাশ করেননি। 

এই যে পরিবারের অন্যদের মাথায় বসিয়ে দিয়েছিলেন, একি  শুধু হাসিমুখে মেনে নেওয়া, নাকি পরামর্শটাও ওনার ই দেওয়া?


১০০ বছর পরে যে অসাধারণ মানুষটি  আমাকে হতবাক করে দিচ্ছেন, তার ভীতটা গড়লো কি করে? ওনার মা বাবা কেমন ছিলেন? ওনার বোন কি ওনার মতোই অসাধারণ ছিলেন? শুনেছি দেশভাগের পরে বাগুইহাটিতে থাকতেন ওনার বোন। খুব ভালো গান গাইতেন ছাড়া আর কিছুই জানতে পারিনি তার সম্পর্কে।

৭ ছেলে আর ২ মেয়ে ছিল তাঁর । ছেলেবেলা থেকেই কি তাদের প্রতি নির্লিপ্ত স্নেহ ছিল? নাকি ছোটরা বড়ো হবার সঙ্গে সঙ্গে, উনি শিখেছিলেন দূর থেকে, অধিকার আর কর্তৃত্বের সীমানার বাইরে থেকে ভালোবাসতে?

কারুর সঙ্গে কথা বা মন কাটাকাটি হয়নি তা জানি। কিন্তু কোনো দিন মন খারাপ হয়নি? এতো মেধাবী ছাত্রী, কিন্তু তা নিয়ে চর্চা তো করতে পারেননি। তাই নিয়ে আক্ষেপ ছিল কি? খালি খালি লাগতো?

আরো অনেক প্রশ্ন মনে আসে। কিন্তু ওই সব প্রশ্ন জবাব দেবার লোক খুঁজে পাইনি।


শেষ গল্পটা শুনেছি আমার মায়ের কাছে। আমার দিদির যখন জন্ম হয়ে, তখন তিনি প্রায় এক বছর পক্ষাঘাতগ্রস্ত। দিদিকে দেখে বলেছিলেন, “ওই আমাকে মুক্তি দেবে। ওই নাম মুক্তি রেখো।”

দিদির নাম মুক্তি রাখা যায়নি, আমার পিসির নামও মুক্তি ছিল কিনা। দিদির জন্মের কিছুদিন বাদেই চলে গিয়েছিলেন সরালাবালা দেবী।  আমার দিদির নাম রাখা হয়ে অদিতি| অদিতি নামের মানে হলো যাকে 

কোনো বন্ধন বেঁধে রাখতে পারে না। মনে হয়ে সরালাবালা দেবীর এই নামটিও পছন্দ হতো।


1 comment:

Indranil Roy Burman said...

খুব ভালো লাগলো। সাবলীল লেখা ।